Author: Quiz Bangla

‘না’ কে না বলবেন কিভাবে?

“Be positive”, এ কথাটি কম বেশি সবাই শুনেছেন এবং কম বেশি আপনিও অন্যদের বলে থাকেন। কারণ, যেকোনো কাজ ইতিবাচকভাবে করতে না পারলে তা ভাল ফল এনে দিতে পারে না। তাই আমরা সবাই ইতিবাচক হবার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাই। কিন্তু তারপরও কি যেন একটা আমাদের পেছন থেকে টেনে ধরে রাখে। আর তা হচ্ছে ‘নেতিবাচক’ চিন্তা। আমরা যখনই কিছু একটা করার জন্য উদ্যোগ নিয়ে থাকি, সেখানে কিছু না কিছু নেতিবাচক চিন্তা এসেই থাকে। আর এই সামান্যতম নেতিবাচক চিন্তাও আমাদের উদ্যোগে কিছুটা হলেও বাধা দিয়ে থাকে। তাই আমাদের উচিৎ এই নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে দূরে সরিয়ে রাখা। কিন্তু কিভাবে? এতো আর বললেই চলে না। হ্যা, এখানেই সমস্যা। কিন্তু আপনি যদি এই নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে ‘না’ বলতে শিখতে পারেন, তাহলে খুব সহজেই একে আপনার কাছ থেকে দূরে রাখা সম্ভব। চলুন, এমনই কিছু জিনিস জেনে নেয়া যাক যা নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে কিছুটা হলেও দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। ১। লক্ষ্য স্থির করুন যা আপনার আয়ত্তাধীন এমন অনেকেই আছেন যারা লক্ষ্য স্থির করার সময় এত বড় লক্ষ্য স্থির করে ফেলেন যে, তা পূরণ করা সত্যিকার অর্থেই হয়ে ওঠে না। আর এই ধরণের লক্ষ্যের কোনো ফলও পাওয়া যায় না। তাই এমনভাবে লক্ষ্য স্থির করুন যা আপনার আয়ত্তাধীন। ২। সমস্যাগুলোকে চ্যালঞ্জে রূপান্তরিত করুন আপনি প্রায়শই যেসব নেতিবাচক চিন্তাগুলো করে থাকেন তার একটি তালিকা তৈরি করুন। তারপর সেগুলো নিয়ে ভাবুন যে এগুলোকে কিভাবে ইতিবাচক দিকে নিয়ে যাওয়া যায়। যেকোনো সমস্যাকে নেতিবাচক দিকে না দেখে সেটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন। ভাবুন, এই সমস্যাকে আপনি কিভাবে...

Read More

স্বতঃস্ফূর্তভাবে কারো সাথে কথা বলতে পারছেন না?

বর্তমানে খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয় যোগাযোগ দক্ষতা।  শুধু বর্তমানে নয়, এটি অতীতেও প্রয়োজনীয় ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। চাকুরী বলি আর নিজের ব্যবসা কিংবা যাই শুরু করার কথা বলি, যোগাযোগের দক্ষতা  ক্যারিয়ারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তাই নয়, যোগাযোগের দক্ষতা মানুষের মাঝে আমাদের গ্রহণযোগ্যতাকেও বাড়িয়ে তোলে।  এর মূল উদ্দেশ্য হল নিজের মনের কথা বা উক্তি অপরকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয়া। বিশ্বাস ও সম্মান অর্জনের জন্য সুখী সম্পর্ক ও দলগত কাজের জুড়ি নেই এবং সেজন্য  যোগাযোগ দক্ষতার উন্নতি করা খুবই প্রয়োজন। অন্যের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতা গড়ে তোলা এবং তা পরিচর্যার মাধ্যমে যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য কিছু ছোট বিষয় মাথায় রাখতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক এমনি কিছু টিপস সম্পর্কে যা আপনার যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।   ১. মানুষের প্রতি সঠিক মনোভাব রাখুনঃ সাফল্যের একটি মূলনীতি হচ্ছে অন্য মানুষের সহযোগিতা  নিয়ে সফলতা অর্জন করা। ইতিহাসে একসময় মানুষ বল প্রয়োগ করে অন্যের ওপর প্রতিপত্তি লাভ করত, আর এখন মানুষ স্বেচ্ছায় আপনাকে সমর্থন করবে। এটা সম্ভব হয় অন্যের সাথে নিজের  যোগাযোগ দক্ষতার দ্বারাই। অন্যের প্রতি সঠিক মনোভাব থাকলে তবেই আপনি অন্যের সাথে যোগাযোগে সমর্থ হবেন। মনে রাখবেন আপনি অন্যের প্রতি যেমন মনোভাব প্রকাশ করেন, অন্যরাও আপনার প্রতি তেমনি মনোভাব প্রকাশ করে। ২.পরিস্থিতি বুঝুন: প্রতিটি মানুষ নতুন কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিংবা নতুন পরিচয়পর্বে ভিন্ন আচরণ করে থাকে। যখন ব্যাপারটা নিজেদের মাঝে সহজ হয়ে আসে তখনও ব্যাক্তিভেদে আচরণ ভিন্ন হয়ে থাকে। আপনি যদি একজন উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন তবে আপনার কর্মীদেরকে জানুন।কার সাথে কিভাবে আলোচনা...

Read More

সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনি কি খুব বেশি সংবেদনশীল?

আপনি কি অন্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে অত্যন্ত সংবেদনশীল? অথবা আপনি কি জানেন এমন কাওকে? উচ্চ সংবেদনশীলতা বহিরাগত অর্থাৎ সামাজিক কিংবা পরিবেশগত বা অভ্যন্তরীণ মানে আপন ব্যক্তিগত  যেমনই হোক না কেন এই উদ্দীপনার ফলাফল অনেক ক্ষেত্রে তীব্র শারীরিক,  এবং মানসিক প্রতিক্রিয়া হিসাবে কাজ করে। যদিও সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংবেদনশীল হওয়ার মতো অনেক ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যেমন শ্রবণ এবং সম্পর্ক দৃঢ় করার মতো বৃহত্তর দক্ষতা,  সহানুভূতি, এবং অন্যের চাহিদা ও চাহিদার সম্বন্ধে আরও ভাল ধারণা করা। তাই মূলত বলা যায়, একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যক্তি হচ্ছে উভয় রকম, একই সাথে আশীর্বাদ আবার অভিশাপ। সংবেদনশীলতা থাকা ভাল। কারন এটি আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে এই সংবেদনশীলতা ভাল কিছু বয়ে আনেনা। বরং মাত্রাতিরিক্ত সংবেদনশীলতা নিজেকে সব কিছু থেকে দূরে ঠেলে দেয়, করে তোলে নেতিবাচক মানুষ। বিশেষ করে কোনও সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে সেটা হোক প্রেমের কিংবা বন্ধুত্বর অথবা যে কোনও সম্পর্কের সময় এটি বাজে রূপ ধারণ করে। স্বভাবতই সংবেদনশীল মানুষ সম্পর্কে সহজভাবে জড়াতে পারেনা। অনেক উদ্বেগ, নেতিবাচক অনুভূতি, ভয়, লজ্জা, অভিমান ইত্যাদি তাদের তাড়া করে বেরায়। সমাজে এমন মনোভাবের লোকের বসবাস অনেক। কিন্তু তাই বলে তাদের এড়িয়ে না চলে কিভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল মানুষ সঙ্গে কার্যকরী যোগাযোগ করতে পারা যায় তার প্রতি দৃষ্টি দেয়া উচিত। সেজন্য সবার আগে প্রোয়জন এমন ব্যক্তদের চেনা। একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যক্তি সবসময় গভীর গভীর অনুভবের দ্বারা পরিচালিত হয়। কিছু দিক রয়েছে যেগুলো দ্বারা খুব সহজেই এমন সংবেদশীল ব্যক্তি চেনা যায়। আসুন জেনে নেই এমন কিছু দিক সম্পর্কে। ১।প্রায়ই চিন্তিত থাকে...

Read More

নিজেই কোনোকিছু শিখবেন যেভাবে

জীবনকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার জন্য আপন প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনার জীবনকে যদি সফলরুপে সাজাতে চান তাহলে নিজেই নিজেকে সুশিক্ষিত হিসেবে পরিণত করতে হবে। স্বশিক্ষিত লোক মাত্রই সুশিক্ষিত। কিন্তু কেউ কি সত্যিই নিজেকে নিজে শিক্ষিত করে তুলতে পারে? অবশ্যই! একটু বিস্তারিত বলা যাক…আপনি নিজেকে শিক্ষিত করতে পারেন? অবশ্যই আপনি করতে পারেন। এর জন্য দরকার নিজের ইচ্ছা আর গতানুগতিক চাকরীমুখী শিক্ষা থেকে নিজেকে আরও বেশী জ্ঞানী করে তোলার  প্রচেষ্টা। আসুন জেনে নেয়া যাক নিজেই নিজেকে শিক্ষিত করার কিছু টিপস। ১. কৌতূহল বাড়ান কোন কিছু সম্পর্কে জানার পূর্বশর্ত কৌতুহল। কৌতুহল এর মাধ্যমে প্রশ্নের আবির্ভাব হয়। আর প্রশ্ন করার মাধ্যমে আপনি এমন অনেক কিছু খুঁজে পাবেন যা অনেক মানুষ হয়ত জানে না কিংবা আপনি আগে জানতেন না। প্রশ্নের কোনো সীমা থাকা উচিত নয়। যত বেশী কৌতুহলী হবেন ততই আপনার জ্ঞানের পরিধি বাড়বে। ২. অজানা বিষয় পড়ুন এবং দেখুন নিজের জানার পরিধি থেকে বের হয়ে জানার পরিধি আরও বড় করুন, দেখুন অন্য মানুষ কিভাবে চিন্তা করে। নিজের কাজের গন্ডির বাইরেও ভাবুন। সারাজীবন হয়ত কমিকস পড়েছেন, এবার উপন্যাস পড়ে আসুন। এতদিন শুধু ফিকশন দেখেছেন, এবার একটা ডকুমেন্টারি দেখুন। শুধু ক্লাসে শিক্ষকের লেকচার গুলোতেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিখ্যাত ব্যক্তিদের লেকচার শুনুন।   ৩. নিজেকে চ্যালেঞ্জ করুন নিজেই নিজেকে চ্যালেঞ্জ করুন। বড় বড় কাজে হাত দিন। আগেই না পারার ভয়ে থেমে না থেকে নিজের পরিধির বাইরেও মনোযোগী হোন। যখন আপনার বর্তমান চিন্তাভাবনা বা কাজকে পরিবর্তন করার মত কিছু একটা সামনে পাবেন তখন...

Read More

স্টিভেন হকিং

স্টিভেন হকিং। নামটা আমরা সবাই জানি। বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং পদার্থবিদ। আইনস্টাইন এর পরেই তাঁর নাম আসে। এই বিখ্যাত মানুষটির জীবনী নিয়ে আমাদের আজকের এই লেখা স্টিভেন হকিং ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন। মজার ব্যাপার হল তাঁর জন্ম হয় বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলেইর মৃত্যুর ঠিক ৩০০ বছর পর। হকিং এর বাবা ছিলেন একজন জীববিজ্ঞানী এবং মা ছিলেন রাজনৈতিক কর্মী। মায়ের রক্তে ছিল স্কটিশ রক্ত। হকিং এর বাবা মা উত্তর লন্ডনে থাকতেন। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তাঁর বাবা মা অক্সফোর্ড আসেন। এরপর আবার হকিং হওয়ার পর তাকে নিয়ে উত্তর লন্ডনে চলে যান। এর কারন লন্ডন নিরাপদ ছিলনা যুদ্ধের সময়। ১৯৫০ সালে হকিং এর পরিবার সেন্ট আলবান্সে চলে আসেন এবং হকিং স্কুলে ভর্তি হয়। প্রথমে তিনি মেয়েদের স্কুলে ভর্তি হন। এরপর ছেলেদের স্কুলে চলে আসেন। তাঁর পরীক্ষার ফল ভালই হত। হকিং এর পরিবারে শিক্ষার মূল্য ছিল। তাই তাঁর বাবার ইচ্ছা ছিল বিখ্যাত ওয়েস্টমিনিস্টার স্কুলে ছেলেকে পড়ানোর। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা তাঁর ইচ্ছা পুরন করেননি। স্কুলের বৃত্তি পরীক্ষার দিন হকিং অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই তাকে সেন্ট অ্যালবান্‌সে পড়াশুনা করতে হয়। স্কুলে হকিং তাঁর বন্ধুদের সাথে পড়তে থাকেন এবং বিভিন্ন খেলাধুলায় যোগ দেন। বিজ্ঞান নিয়ে আগ্রহ থাকায় বিভিন্ন জিনিস তৈরি করেন। স্কুলে তাঁর নাম ছিল “ আইনস্টাইন”। তাঁর গনিত নিয়ে পড়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু তাঁর বাবার ইচ্ছা ছেলে ডাক্তারি পড়বে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজে গনিত না থাকায় হকিং পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়তে শুরু করে। ১৯৫৯ সালে হকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পড়া শুরু করেন। কিন্তু সেসব...

Read More