Author: Quiz Bangla

কীভাবে এল হ্যান্ডশেক?

হ্যান্ডশেক হল অন্যতম একটি সাধারণ শারীরিক অঙ্গভঙ্গি যেটা দুজন মানুষের মধ্যে হয়ে থাকে যখন তারা কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয় কিংবা কোন সাক্ষাতে। বাংলায় যাকে আমরা কর্মদন বলে থাকি। প্রায় সব সংস্কৃতিতে এই রীতিটি ব্যবহার হয়ে আসছে। যদিও এটা অনেকের কাছে আধুনিক একটি রীতি। যেমন আমাদের এই উপমহাদেশে এটা আধুনিক রীতি। আমরা এই রীতি কাউকে অভ্যর্থনা জানাতে, কাউকে অভিনন্দন জানাতে, কোন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদনের পর ব্যবহার করি। এই রীতিটির উৎপত্তি অনেক আগে থেকেই। অনেক আগে থেকেই মানবজাতি এই রীতিটি ব্যাবহার করে আসছে। প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন সময়ে হ্যান্ডশেক করার বিভিন্ন প্রমান পাওয়া গেছে। প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার বেশ কিছু নিদর্শন পাওয়া গেছে...

Read More

কীভাবে একটি ভাল প্রেজেন্টেশান দিবেন

সকাল থেকেই জুবাইর ঘামছে আর এদিক ওদিক হাঁটছে। হাতে এক টুকরো কাগজ দেখা যাচ্ছে যেটা দেখে সে কিছু পড়ছে। জুবাইর যে খুব চিন্তিত বুঝা যাচ্ছে। কারন আজ ওর প্রেজেন্টেশান আছে। এত মানুষের মধ্যে ওকে প্রেজেন্টেশান দিতে হবে ভাবতেই ও ঘেমে অস্থির। জুবাইরের মত প্রায়ই আমাদের অবস্থা হয় আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি কিংবা অফিসে কাজ করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো প্রোজেক্ট জমা দিতে কিংবা থিসিস ডিফেন্স অথবা অফিসের বড় কোন কাজ সবকিছুতেই প্রেজেন্টেশান দিতে হয়। আর এই সময় নার্ভাস হয় না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। খুব ভাল কাজ করা এবং ভাল প্রেজেন্টেশান বানানোর পড়ে ও দেখা যায় শুধুমাত্র উপস্থাপনের জন্য পুরো...

Read More

ওয়ার অফ কারেন্টঃ বিদ্যুৎ নিয়ে যুদ্ধ

আজকে আমরা যে বিদ্যুৎ উপভগ করছি আমাদের জীবনের সর্বত্র সেটা আজ থেকে একশ বছর আগেও এত পর্যাপ্ত ছিলনা। এই বিদ্যুৎ বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদন শুরু হয়েছে উনিশ শতকের শেষের দিকে। তবে এই বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য একটি বেশ স্নায়ু যুদ্ধ চলেছে। যেই যুদ্ধের নাম “তড়িৎযুদ্ধ” বা War Of Current. বিজ্ঞানী থমাস আল্ভা এডিসন এবং নিকোলা টেসলার মধ্যে এই যুদ্ধ চলেছিল। আমাদের আজকের এই লেখা সেই যুদ্ধ নিয়ে। আমরা জানি তড়িৎ প্রবাহ দুই ধরনের। এসি এবং ডিসি। এসি মানে হল অলটারনেটিভ তড়িৎ প্রবাহ এবং ডিসি মানে ডাইরেক্ট তড়িৎ প্রবাহ। দুই ধরনের তড়িৎ প্রবাহের গঠন, কাজ, সুবিধা , অসুবিধা আলাদা। এসি কারেন্টে ভোল্টেজ বদলাতে থাকে। এবং দূরবর্তী জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। আমাদের বাসাবাড়ির মোটর, ডিশ ওয়াশার, ফ্রিজ ইত্যাদিতে এসি কারেন্ট ব্যবহার করা হয়। অপরদিকে ডিসি কারেন্টে ভোল্টেজ এক থাকে। আমাদের মোবাইল, ল্যাপটপ, ইত্যাদিতে ডিসি কারেন্ট ব্যবহার হয়। ডিসি কারেন্ট হল ব্যাটারির মত। সরাসরি তড়িৎ প্রবাহ হবে। কিন্তু ডিসি কারেন্ট দূর অঞ্চলে ব্যবহার করা যায়না। কারন এটি দূরে বহন করতে গেলে এর তড়িৎ প্রবাহ আস্তে আস্তে কমতে থাকে। থমাস আল্ভা এডিসন ডিসি কারেন্ট নিয়ে কাজ করেন। তিনি ছিলেন একজন দক্ষ ব্যবসায়ী। তিনি অনেকগুলো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ডিসি কারেন্ট ব্যবহার করতে চান। কিন্তু ডিসি কারেন্ট যেহেতু দূরে নেওয়া যায় না তাই তিনি ঠিক করেন শহরের প্রতিটা পয়েন্টে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করবেন। ঠিক ওই সময় তাঁর অধিনেই এক সময় কাজ করা নিকোলা টেসলা এসি কারেন্ট নিয়ে আসেন। তিনি জর্জ...

Read More

Li-Fi ভবিষ্যতের যোগাযোগমাধ্যম

প্রযুক্তি সবসময় বদলায়। এক যুগ আগেও যা ছিল কল্পনা বর্তমানে তা বাস্তব। Li-Fi হল এমন একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা ভবিষ্যতে তার বিহিন মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হবে। আমরা এখন সাধারণত বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করছি যোগাযোগের ক্ষেত্রে। যার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। ধারনা করা হচ্ছে Li-Fi ভবিষ্যতে এই ক্ষেত্রে ব্যপকভাবে ব্যাবহার হবে। স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অধ্যাপক হেরাল্ড হেস ২০১০সালে প্রথম Li-Fi নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। পরে তিনি নিজের একটি কোম্পানি খুলেন যার নাম PureLiFi। ২০১১ সালের অক্টোবরে আরও কিছু কোম্পানি যুক্ত হয় এবং কাজ শুরু করে। তাঁরা মুলত বেতার তরঙ্গের সাহায্যে তারবিহীন মাধ্যমে যোগাযোগের যে সীমাবদ্ধতা আছে সেগুলা দূর করতে কাজ...

Read More

মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা

বাংলাদেশের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা। যিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ এবং অধ্যাপক। মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা জন্মগ্রহণ করেন পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলায় ১৯৩৪ সালের ১লা মে। তাঁর বাবার নাম ছিল মুহম্মদ আব্দুর রশিদ। আব্দুর রশিদ একজন সাধারণ চাকুরীজীবী ছিলেন। শামসুজ্জোহা ছিলেন বাবা মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। তিনি বাঁকুড়াতেই পড়ালেখা করেন। বাঁকুড়া জেলা স্কুল থেকে ১৯৪৮ সালে তৎকালীন ম্যাট্রিক পরীক্ষা ও ১৯৫০ সালে বাঁকুড়া ক্রিশ্চিয়ান কলেজ থেকে আই এস সি পাস করেন। এদিকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর মাঝে মাঝেই দাঙ্গা লাগায় ১৯৫০ সালে শামসুজ্জোহা পূর্ব বাংলায় মানে বর্তমানের বাংলাদেশে চলে আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে...

Read More